নিজেদের পণ্য আমরা বানাই, নিজেরাই চালাই। আপনার কাজ নিলে সেটাও একই যত্নে বানাই, কারণ পরে ওই কোড নিয়ে আমাদেরই থাকতে হয়।
আগে একবার ধরা খেয়েছেন, নয়তো আপ্রাণ চেষ্টা করছেন যাতে আর না খান।
হয়তো আগের ডেভেলপার কাজ অর্ধেক রেখে উধাও হয়ে গেছে। হয়তো সাইটটা দেখতে সুন্দর ছিল, কিন্তু কেউ তাতে একটা লাইনও বদলাতে পারতো না। হয়তো টাকা দিয়েছেন, অথচ যে একটা কাজের জন্য দিয়েছিলেন সেটাই আজও হয় না।
এই লাইনে এটাই সবচেয়ে চেনা গল্প, আর বেশিরভাগ সময় দোষটা দক্ষতার না। দোষটা টাকার হিসাবের। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান টাকা পায় কাজ বুঝিয়ে দিলেই, ছয় মাস পরেও জিনিসটা চলছে কি না সেটা দেখার কোনো দায় তাদের নেই।
আমরা কোম্পানিটা খুলেছি ঠিক এর উল্টো জায়গায় দাঁড়ানোর জন্য।

বেশিরভাগ সফটওয়্যার দক্ষতার অভাবে নষ্ট হয় না। নষ্ট হয় কারণ যে বানিয়েছে, সে বানিয়েছে কোনোমতে শেষ করার জন্য, টিকিয়ে রাখার জন্য না।
Abiflow Labs-এর শুরু ঠিক এই জায়গা থেকে। আমরা নিজেদের সফটওয়্যার বানাই, নিজেরাই চালাই। পাশাপাশি ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ আর অটোমেশনের কাজও নিই, আর সেগুলোও একই যত্নে করি। কারণ পরে ওই কোড নিয়ে আমাদেরকেই থাকতে হয়।
এ কারণেই একটা জিনিস আমরা আগে করি: নিজেদের পণ্য আগে বানাই। RaktoBondhu চালু আছে, কারণ এখানে রাত দুটোয় একজন রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া যতটা কঠিন, ততটা হওয়ার কথা না। Abiflow OS বানাচ্ছি, কারণ এখানকার অনেক ব্যবসা এখনো খাতা-কলমে চলে, আর বড় সফটওয়্যারগুলো যে দাম চায় সেটা তাদের নাগালের বাইরে।
মাঝরাতে কিছু ভেঙে পড়লে খবরটা আমাদের কাছেই আসে। এতে কোড লেখার ধরন বদলে যায়, কোন কথা দেবো আর কোনটা দেবো না, সেটাও।
আরেকটা কথা সোজাসুজি বলে রাখি: দেখানোর মতো ক্লায়েন্টের তালিকা আমাদের এখনো নেই। এটা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে না বলে শুরুতেই বলে দেওয়া ভালো মনে করি।
ক্লায়েন্টদের লোগো সাজিয়ে দেখানোর মতো অবস্থায় এখনো পৌঁছাইনি। তার বদলে আছে আমাদের নিজেদের কাজ, সবার জন্য খোলা। চাইলে নিজে গিয়ে চালিয়ে দেখুন।
কেউ কী কী পারে বলে দাবি করে, তার চেয়ে সে কোথায় থামে সেটা জানা বেশি কাজের। আমাদেরটা দুই দিক থেকেই বলছি।
টেকসই দেখে বাছাই করা। পাঁচ বছর পরেও যেগুলো চালু থাকবে, আর যেগুলো জানে এমন লোক সহজেই পাওয়া যায়।
ছোট একটা কল, কোনো স্লাইড-টাইড নেই। মিলে গেলে নির্দিষ্ট দাম আর সত্যিকারের সময় পাবেন। না মিললে সোজা উত্তর আর কোন দিকে যাওয়া ভালো সেই পরামর্শ পাবেন। এতে আমাদের কিছু খরচ নেই, আর আপনার কয়েক সপ্তাহ বেঁচে যায়।
সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই · ঢাকার সময়